বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

 

✅মঙ্গলে বিলীন ★ মঙ্গল গ্রহে গিয়ে পৃথিবীতে আর ফিরে আসবে না যে মেয়েটি, তিনি হলেন এলিজা কার্সন, নাসার কনিষ্ঠতম সদস্য। এই মেয়ের✅মঙ্গলে বিলীন ★ মঙ্গল গ্রহে গিয়ে পৃথিবীতে আর ফিরে আসবে না যে মেয়েটি, তিনি হলেন এলিজা কার্সন, নাসার কনিষ্ঠতম সদস্য। এই মেয়ের আগ্রহ, তৃষ্ণা আর ডেডিকেশন দেখে মাত্র ১১ বছর বয়সে নাসা তাকে মনোনীত করে নেয় এবং ঘোষণা করে যে, সমস্ত অবস্থা অনুকূল হলে সে হবে ২০৩৩ সালে মঙ্গলে যাওয়া পৃথিবীর প্রথম মানুষ। এখন তার বয়স ১৭। যেহেতু সে মঙ্গলে গেলে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম তাই নাসার কাছে সে কোন প্রকার সংসার, বিয়ে বা সন্তানধারণের নিষেধাজ্ঞাপত্রে সাক্ষর করেছে। ভাবতে অবাক লাগে, মানুষের স্বপ্ন কত বড় হতে পারে! এলিজা জানে যে, সে আর ফিরে আসবেনা এই পৃথিবীতে। আর মাত্র ১০/১১ বছর পরে একমাত্র নিঃসঙ্গ মানুষ হিসেবে কোটি কোটি মাইল দূরের লোহার লালচে মরিচায় ঢাকা প্রচন্ড শীতল নিষ্প্রাণ গ্রহের ক্ষীয়মাণ নীল নক্ষত্রের নিচে হারিয়ে যাবে সে। সেই একা হারিয়ে যাওয়া তার কাছে কত বড় আনন্দ! সেই আনন্দের কাছে পৃথিবীর সাজানো সংসার প্রেম সন্তানাদি এসবের আনন্দ তার কাছে তুচ্ছ। এলিজা কার্সন আমাদের স্বপ্ন দেখতে শেখায়। সে বলে- "Always follow your dream and don't let anyone take it from you." এই ডেডিকেশনকে কুর্নিশ জানাতেই হয়। 🙏 ✅সংকলিত ! আগ্রহ, তৃষ্ণা আর ডেডিকেশন দেখে মাত্র ১১ বছর বয়সে নাসা তাকে মনোনীত করে নেয় এবং ঘোষণা করে যে, সমস্ত অবস্থা অনুকূল হলে সে হবে ২০৩৩ সালে মঙ্গলে যাওয়া পৃথিবীর প্রথম মানুষ। এখন তার বয়স ১৭। যেহেতু সে মঙ্গলে গেলে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম তাই নাসার কাছে সে কোন প্রকার সংসার, বিয়ে বা সন্তানধারণের নিষেধাজ্ঞাপত্রে সাক্ষর করেছে। ভাবতে অবাক লাগে, মানুষের স্বপ্ন কত বড় হতে পারে!






এলিজা জানে যে, সে আর ফিরে আসবেনা এই পৃথিবীতে। আর মাত্র ১০/১১ বছর পরে একমাত্র নিঃসঙ্গ মানুষ হিসেবে কোটি কোটি মাইল দূরের লোহার লালচে মরিচায় ঢাকা প্রচন্ড শীতল নিষ্প্রাণ গ্রহের ক্ষীয়মাণ নীল নক্ষত্রের নিচে হারিয়ে যাবে সে। সেই একা হারিয়ে যাওয়া তার কাছে কত বড় আনন্দ! সেই আনন্দের কাছে পৃথিবীর সাজানো সংসার প্রেম সন্তানাদি এসবের আনন্দ তার কাছে তুচ্ছ। এলিজা কার্সন আমাদের স্বপ্ন দেখতে শেখায়। সে বলে- "Always follow your dream and don't let anyone take it from you." এই ডেডিকেশনকে কুর্নিশ জানাতেই হয়। 🙏 ✅সংকলিত !

রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১

 

দুধ-খেজুর একসঙ্গে খেলে যা হয় 

 আহমেদ শরীফ || রাইজিংবিডি.কম


দুধ-খেজুর একসঙ্গে খেলে যা হয়

ফুড কম্বিনেশন অর্থাৎ ভিন্ন ধরনের খাবার একসঙ্গে খাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে এখন মানুষের মাঝে। এর কারণ হলো স্বাস্থ্যের জন্য ফুড কম্বিনেশন খুব উপকারি। দুধের সঙ্গে খেজুর ভিজিয়ে খেলে দারুণ কিছু উপকার পাওয়া যায় । খেজুর খুব স্বাস্থ্যকর খাবার। শুকনো এই ফলে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। এছাড়া খেজুরে আয়রন, পটাশিয়াম, সেলেনিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম,কপার, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন সি, ফাইবার, প্রোটিন থাকে প্রচুর। এছাড়া প্রাকৃতিক চিনি ফ্রুকটোজ ও গ্লুকোজ থাকে অনেক।

অন্যদিকে, দুধে প্রচুর ক্যালসিয়াম, রিবোফ্লোবিন, আয়রন, ভিটামিন বি টুয়েলভ, জিংক, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ভিটামিন এ, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন ডি থাকে। এক গবেষণায় দেখা গেছে দুধে প্রায় ৪৪ ধরনের পুষ্টি  উপাদান থাকে, যার মধ্যে ১৮ ধরনের অ্যামাইনো  এসিড, ৯টি মিনারেল, ১০টি ভিটামিন, ফ্যাট, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট থাকে।

দুধের সঙ্গে খেজুর মিশিয়ে খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য যেসব উপকার বয়ে আনে-

* হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়: খেজুরে প্রচুর আয়রন থাকে, যা রক্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সহায়তা করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, দুধে খেজুর ভিজিয়ে তা কিছুক্ষণ গরম করার পর ১৮-৫৫ বছর বয়সী কয়েকজন মানুষকে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে  খাওয়ানোর পর ১০ দিনের মধ্যে তাদের রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বেড়েছে। দুধ ও খেজুরের এই কম্বিনেশন খেলে অ্যানিমিয়া অর্থাৎ রক্তস্বল্পতা রোগ সেরে উঠে। 

* গর্ভবতীর জন্য উপকারী: এক গবেষণায় দেখা গেছে, গরুর দুধে খেজুর ভিজিয়ে নিয়মিত খেলে গর্ভবতীদের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। আর এই কম্বিনেশন গর্ভে থাকা শিশুর হাড় ও রক্ত তৈরিতে ভূমিকা রাখে। এক্ষেত্রে রাতের বেলা ৫-৬ টি খেজুর রাতভর দুধের মধ্যে ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে দুধের সঙ্গে খেজুরের মিশ্রণটা ভালোভাবে মিশিয়ে তার সঙ্গে একটু এলাচের গুঁড়ো ও এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে নিয়ে খেতে হবে। 

বয়সের ছাপ দূর করে: খেজুর ও দুধে প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে বলে এই দুই খাবার বয়স বাড়ার কারণে মুখের চামড়া কুঁচকে যে বয়সের ছাপ পড়ে, তা দূর করে। এক্ষেত্রে দুধে কয়েকটি খেজুর রাতভর ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে খেজুর ও দুধের মিশ্রণের সঙ্গে মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এরপর ১৫-২০ মিনিট সেই পেস্ট মুখে মেখে রাখুন। পরে মুখ ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একদিন এই পেস্ট মুখে মাখলে উপকার পাওয়া যাবে। 

* জীবনীশক্তি বাড়ায়: ১০০ গ্রাম খেজুরে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ১৫ শতাংশ শক্তি পাওয়া যায়। আর দুধে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় প্রায় ৯ শতাংশ শক্তি থাকে। এ কারণে দুধের সঙ্গে খেজুর ভিজিয়ে খেলে শরীরে পর্যাপ্ত শক্তি পাওয়া যায়। তবে খেয়াল রাখতে হবে আপনি এই ফুড কম্বিনেশন কতোটা হজম করতে পারছেন। 

* প্রজনন ক্ষমতা বাড়ায়: দুধের সঙ্গে খেজুর ভিজিয়ে খেলে পুরুষ ও নারী দুই পক্ষেরই প্রজনন ক্ষমতা বাড়তে পারে। শক্তিশালী এই কম্বিনেশন সব বয়সী পুরুষ ও নারীর যৌনক্ষমতাও বাড়িয়ে দিতে পারে। এক্ষেত্রে কয়েকটি খেজুর ছাগলের দুধের সঙ্গে রাতভর ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকালে ভালো করে মিশিয়ে তার সঙ্গে একটু এলাচ ও মধু যোগ করে খেয়ে নিতে হবে। 

শেষ কথা: আপনি যদি দুধ ও খেজুরের কম্বিনেশন থেকে ভালো ফল পেতে চান তাহলে বাজারের ভালো খেজুরটা বেছে নিন। আর দুধে সেই খেজুর ভেজানোর আগে অবশ্যই খেজুরগুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। প্রয়োজনে একজন পুষ্টিবিদের সঙ্গেও কথা বলে নিতে পারেন।

শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১

 

পেটের গ্যাস দূর করে যেসব খাবার

পেটের গ্যাস দূর করে যেসব খাবার

পেটে গ্যাস জমলে অর্থাৎ এসিডিটির সমস্যায় ভুগছেন না এমন মানুষ পাওয়া আজ কঠিন-ই বটে! ছোট-বড় সব বয়সের  মানুষের মাঝেই এই সমস্যাটি এখন প্রকট। অনিয়মিত খাবার গ্রহণ ও উল্টাপাল্টা খাবার খাওয়ার কারণেই তাদেরকে এ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তবে কিছু ঘরোয় উপায় আছে যেগুলো প্রয়োগ করলে গ্যাস, বুক জ্বালা থেকে সহজেই বাঁচা যায়। পেট থেকে গ্যাস দূর করে এমন কিছু খাবারের নাম:

শসা: শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী খাদ্য। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।

দই: দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়।

পেঁপে: পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম যা হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।

কমলা: কমলা পাকস্থলীর অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

কলা: কলা খেলে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও কলার স্যালুবল ফাইবারের কারণে কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে। সারাদিনে অন্তত দুটো কলা খান। পেট পরিষ্কার রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার।

আদা: আদা সবচাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান সমৃদ্ধ খাবার। পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান, দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে।

মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

 

ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় কারি পাতা, কীভাবে খাবেন?

ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় কারি পাতা, কীভাবে খাবেন?
ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় কারি পাতা

রান্নায় কারি পাতা অনেকেই ব্যবহার করেন। এতে বহু খাবারে সুন্দর গন্ধ হয়। কিন্তু শরীরে এই কারি পাতার প্রভাব কেমন? এটি কি উপকারী?

হালের বেশ কিছু গবেষণায় কারি পাতার নানা উপাদানের কথা উঠে এসেছে। এর বেশির ভাগই শরীরের উপকার করে। দেখে নেওয়া যাক সেগুলো কী কী…

যারা নিয়মিত কারি পাতা খান, তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। কারি পাতার রস করে খেলে আরও ভাল ফল পাওয়া যায়। ১৫-২০টি কারি পাতা এক গ্লাস পানিতে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। তারপর সেই পানি ছেঁকে নিয়ে তাতে মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। টানা কয়েক দিন এই রস পান করলেই কমবে ওজন।

রান্নায় নিয়মিত কারি পাতা মেশালে ডায়াবেটিসের সমস্যা কমে। বেশি ভাল ফল পেতে কয়েকটি কারি পাতা একটু ভিজিয়ে চিবিয়ে নিতে পারেন।

তবে শুধু ডায়াবেটিস বা ওজন নিয়ন্ত্রণ নয়, কারি পাতার আরও গুণ রয়েছে। হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায় এই পাতা। এছাড়াও যারা খুসকি বা চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন, তারা নারিকেল তেলে কারি পাতা গরম করে, সেই তেল মাথায় লাগালে এই সমস্যা কমতে পারে।

রবিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২১

 মধুর না না গুন

🍯সাধারণভাবে বলা যায়- মধু হলো লাখ লাখ মৌমাছির অক্লান্ত শ্রম আর সেবাব্রতী জীবনের দান। মৌমাছিরা ফুলে ফুলে বিচরণ করে ফুলের রেণু ও মিষ্টি রস সংগ্রহ করে পাকস্থলীতে রাখে। তারপর সেখানে মৌমাছির মুখ নিঃসৃত লালা মিশ্রিত হয়ে রাসায়নিক জটিল বিক্রিয়ায় মধু তৈরি হয়। এরপর মুখ হতে মৌচাকের প্রকোষ্ঠে জমা করা হয়।
মধুর উপকারিতাঃ
🍯হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে।
🍯রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
🍯 দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে।
🍯দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে।
🍯 মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে।
🍯অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
🍯 বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে।
🍯মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়।
🍯যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক।
🍯গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে।
🍯 আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়।
🍯আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী।
🍯 দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী।
🍯শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে।
🍯ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে।
🍯 মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে।
🍯 মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
🍯 ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে।🍯 রক্ত পরিশোধন করে।
🍯 শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে।
🍯 জিহ্বার জড়তা দূর করে।
🍯 মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।
🍯 বাতের ব্যথা উপশম করে।
🍯 মাথা ব্যথা দূর করে।
🍯শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে।
🍯 গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে।
🍯 শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না।
🍯 শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে।
🍯 ব্যায়ামকারীদের শক্তি বাড়ায়।
🍯 মধু খাওয়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।
🍯রূপচর্চা ও চুলের যত্নে ও মধুর উপকার বলার আক্ষেপ রাখে না।
বিসিক রেজিষ্ট্রেশন নং ১০৮১-২০২১
মোঃ মিলন সরদার (মাস্টার)
শিক্ষাগত যোগ্যতা ঃ LLB.
গ্রাম ঃমাগুরা,পোস্ট ঃবিনের পোতা
থানা ও জেলা সাতক্ষীরা
পেজের নামঃ মধুমেলা Modhumela
প্রতিষ্ঠানের নাম : মেসার্স সুন্দরবন মধু শপ
সকল প্রকারের মধু,ঘি,সরিষার তেল পাইকারি ও খুচরা সরবরাহ করে থাকি।ক্রয় করতে চায়লে নাম ঠিকানা ও ফোন নং টা দিবেন অথবা কল করুন ০১৯১৬৫২০৮৭৭ imo & WhatsApp৷আগাম কোন টাকা দিতে হবে না। কুরিয়ার থেকে পন্য নেওয়ার সময় কুরিয়ারে টাকা পরিশোধ করবেন। কোন পন্য পছন্দ না হলে ফেরত দিতে পারবেন ইনশাল্লাহ।
🌺🌺 সুন্দরবনের বিখ্যাত খলিশা ফুলের মধু ৭৫০ টাকা কেজি।
🌺🌺 সুন্দরবনের বাইন ফুলের মধু ৬০০ টাকা কেজি।
🌺🌺 গ্রামীন/প্রাকৃতিক চাক কাটা মধু ৬০০ টাকা কেজি।
🌺🌺 কালোজিরা ফুলের মধু ৬৫০ টাকা কেজি।
🌺🌺 সরিষা ফুলের মধু ৩০০ টাকা কেজি।
🌺🌺 লিচু ফুলের মধু ৪৫০ টাকা কেজি।
🌺🌺 মিক্স ফুলের মধু ৬০০ টাকা কেজি।
🌺🌺 সাতক্ষীরার বিখ্যাত কড়া পাকের ঘি ১০৫০ টাকা।
🌺🌺 খেজুরের গুড় ২০০ টাকা কেজি।
🌺🌺 চুইঝাল ৮৫০ টাকা কেজি।
🌺🌺 ইন্ডিয়ার বিখ্যাত তাল মিছরি ৩০০ টাকা কেজি। 🌺🌺 বিভিন্ন বাদাম ও মধু দিয়ে তৈরি হানিনাট /মধুময় বাদাম ৫০০ গ্রাম ৫০০ টাকা।
🌺🌺 কাঠের ঘানির সরিষার তেল ৫ লিটার ৯০০ টাকা।