মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

ফল, ভাত, দুধ খাবেন কি ভাবে
সকালে উঠে হয়তো খেয়ে ফেলেন গরম এক গ্লাস দুধ। আবার ডিনারে খান এক থালা ভাত। যখন তখন খান কলা বা কমলালেবু। আবার টুকটাক খিদে মেটাতে ডার্ক চকোলেট আপনার ফেভারিট। খাওয়ার সময় কোন খাবার কখন খাবেন নিশ্চয়ই অতটা মাথায় রাখেন না। কিন্তু জানেন কি প্রত্যেকটা খাবারই খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় আছে? তা না খেলে দেখা দিতে পারে নানান শারীরিক সমস্যা।
কলা: কলা লাঞ্চের পরে খান। এতে দেহে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ে। ডিনারের পর কলা খেলে ঠাণ্ডা লেগে যাওয়ার ভয় থাকে। হজমেও সমস্যা হতে পারে।
আপেল: ব্রেকফাস্টে খান আপেল। আপেলের পেকটিন রক্তচাপ কমায় এবং কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু ডিনারে আপেল খেলে সেই পেকটিনই রাতে হজম করতে সমস্যা হয়। ফলে তা অ্যাসিড উৎপন্ন করে।
আলু: সকালের খাবারে আলু খেলে আলুর মধ্যে থাকা খনিজ ও স্টার্চ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু রাতে খেলে এর ক্যালোরি ওজন বৃদ্ধি করে।
দুধ: রাতে গরম দুধ খেয়ে শুলে ঘুম ভাল হয়। ত্বক নরম ও চকচকে হয়। দুধ সকালেও খেতে পারেন। যারা সকালের দিকে জিম করেন, বা কায়িক পরিশ্রম করেন তাদের জন্য ব্রেকফাস্টে দুধ পারফেক্ট। কিন্তু পরিশ্রমের ব্যপারটি না থাকলে অনেক সময় দুধ হজমের গোলমাল ঘটায়।
বাদাম: সকালে বা লাঞ্চে খান যে কোনও ধরনের বাদাম। বাদাম খেলে রক্তচাপ কমে। কিন্তু রাতে শুতে যাওয়ার আগে বাদাম খেলেই বাড়বে ওজন।
কমলালেবু: খাওয়ার পর স্ন্যাক্স হিসাবে খান কমলালেবু। হজম ভাল হবে। বিপাকক্রিয়াও ভাল হবে কমলালেবু খেলে। কিন্তু সকালে উঠেই কমলালেবু খেলে পেটে ব্যথা থেকে গ্যাসের সমস্যা হতে পারে।
টমেটো: ব্রেকফাস্ট বা লাঞ্চের সঙ্গে স্যালাড হিসাবে বা রান্না করা টমেটো খেতে পারেন। হজম ভাল হবে। কিন্তু রাতে টমেটো খেলে পেটের গণ্ডগোল হতে পারে।
ডার্ক চকোলেট: ব্রেকফাস্টে দু-এক টুকরো ডার্ক চকোলেট খেতেই পারেন। এতে থাকে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। যা এজিং প্রতিরোধ করে, পাশাপাশি হৃদপিণ্ডকে সুরক্ষিত রাখে। কিন্ত স্ন্যাক্স হিসাবে বারবার ডার্ক চকোলেট খেলে ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকে।
অ্যাপ্রিকট: ডিনারে অ্যাপ্রিকট না খাওয়াই ভাল। এতে বদ হজম হয়ে পেটে গ্যাস তৈরি হতে পারে। তবে ব্রেকফাস্টে খেতেই পারেন অ্যাপ্রিকট। এতে বিপাকক্রিয়া ভাল হয়। হজমশক্তি বাড়ে।
দেখুন: rangpurjurnal.blogspot.com



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন